গা সখী,গাইলী যদি,আবার সে গান

গা সখী,গাইলী যদি,আবার সে গান ।
কতদিন শুনি নাই ও পুরনো তান ।।
কখনো কখনো যবে নীরব নিশীথে
একেলা রয়েছি বসি চিন্তামগ্ন চিতে --
চমকি উঠিত প্রাণ--কে যেন গায় সে গান,
দুই-একটি কথা তার পেতেছি শুনিতে ।
হা হা সখী,সে দিনের সব কথাগুলি
প্রাণের ভিতরে যেন উঠিছে আকুলি ।
যেদিন মরিব,সখী,গাস্ ওই গান--
শুনিতে শুনিতে যেন যায় এই প্রাণ ।।

স্বপন-বপণ

আমি কেবলই স্বপন ও করেছি বপণ
বাতাসে আমি
তাই আকাশ কুসুম করিনু চয়ণ
হতাশে আমি
আমি কেবলই স্বপন ও করেছি বপণ
বাতাসে আমি
ছায়ার ও মতন মিলায়ো ধরণী
কূল নাহি পায় আশারো তরণী
মানস প্রতিমা ভাসিয়া বেড়ায়
আকাশে আকাশে আমি
আমি কেবলই স্বপন ও করেছি বপণ
বাতাসে আমি
কিছু বাধা পড়িলো না
শুধুই বাসনা-বাধনে
কেহ নাহি দিল ধরা
কেবলই সুদূর -সাধনে
আপনারো মনে বসিয়া একেলা অনল শিখায়
কি করিনু খেলা
দিন শেষে দেখি ছাই হল সব
হুতাশে হুতাশে
আমি কেবলই স্বপন ও করেছি বপণ
বাতাসে আমি
তাই আকাশ কুসুম করিনু চয়ণ
হতাশে আমি
আমি কেবলই স্বপন ও করেছি বপণ
বাতাসে আমি

স্বদেশ প্রীতিতে রবীন্দ্রনাথ

  বাংলার মাটি,বাংলার জল,   বাংলার বায়ু,বাংলার ফল--
পুণ্য হউক,পুণ্য হউক, পুণ্য হউক হে ভগবান ।।
বাংলার ঘর,বাংলার হাট, বাংলার বন,বাংলার মাঠ--
পূর্ণ হউক, পূর্ণ হউক, পূর্ণ হউক হে ভগবান ।।
বাঙালির পণ,
বাঙালির আশা, বাঙালির কাজ,বাঙালির ভাষা--
সত্য হউক, সত্য হউক, সত্য হউক হে ভগবান ।।
বাঙালির প্রাণ,বাঙালির মন, বাঙালিরঘরে, যত ভাই বোন--
এক হউক,
এক হউক, এক হউক হে ভগবান ।।

প্রেমের সংগীতে রবীন্দ্রনাথ

কাহার গলায় পরাবি গানের রতনহার
তাই কি বীণায় লাগালি যতনে নতুন তার।।
কানন পরেছে শ্যামল দুকূল, আমের শাখাতে নতুন মুকুল,
নবীনের মায়া করিল আকুল হিয়া তোমার।।
যে কথা তোমার কোনদিন আর হয় নি বলা
নাহি জানি কারে তাই বলিবারে করে উতলা
দখিনপবনে বিহবলা ধরা কাকলিকূজনে হয়েছে মুখরা,
আজি নিখিলের বাণীমন্দিরে খুলেছে দ্বার।।

রবীন্দ্রনাথ গানের আর প্রাণের সুরের গুরু

রবী ঠাকুর সকল সময়ের,সকল কালের সুরের জাদুকর
মনের বীণার সুর বাজিয়ে তুলেন